পুষ্টি ও পরিপাক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন কিছু শর্ট নোট বা, টীকা অবশ্যই পড়ুন :
হ্যালো রিডার,
যেকোনো চাকরীর পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাধরন বিজ্ঞান একটি গুরুত্ব পূর্ন বিষয়। বিজ্ঞানের বিষয় থেকে বেশী সংখ্যক প্রশ্ন আসে রেলের গ্রুপ ডি ও মিসলেনিয়াস পরীক্ষায়। সুতারং প্রত্যেক ছাত্র -ছাত্রীর উচিত রোজ একটু একটু করে প্রাকটিস করা।
আজকের পোস্টে সাধরন বিজ্ঞান বিষয়ের পুষ্টি ও পরিপাক চ্যাপটারের উপর গুরুত্বপূর্ন বেশকিছু শর্ট নোট দেওয়া হল। সমস্ত পড়ুয়াদের অনুরোধ করবো মন দিয়ে পড়ার জন্য।
কোনো পোস্ট মিস না করতে, আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে অবশ্যই যুক্ত হবেন :https://t.me/gksolve
পুষ্টি ও পরিপাক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন কিছু শর্ট নোট বা, টীকা:
১। যে সকল পদার্থ থেকে ভিটামিন প্রস্তুত হয় তাদের বলা হয় প্রােভিটামিন।
২। কিছু প্রাণী যেমন - অ্যামিবা, প্যারামিসিয়াম ইত্যাদির মধ্যে আন্তঃকোশীয় পরিপাক লক্ষ্য করা যায়। আবার মানুষ, ব্যাঙ, কেঁচো, আরশােলা এদের মধ্যে বহিঃকোশীয় পরিপাক লক্ষ্যণীয়। কিন্তু হাইড্রার মধ্যে অন্তঃ ও বহিঃকোশীয় পরিপাক ঘটে থাকে।
৩। যে পদ্ধতির মাধ্যমে যকৃতে অ্যামােনিয়া থেকে ইউরিয়া উৎপন্ন হয়, তাকে অরনিথিন চক্র বলা হয়।
৪। পাচক উৎসেচক তিন প্রকারের অ্যামাইলােলাইটিক বা শর্করা ভঙ্গক,
যেমন মলটেজ; প্রােটিওলাইটিক বা প্রােটিনভঙ্গক, যেমন - ট্রিপসিন, পেপসিন এবং লাইপােলাইটিক বা স্নেহভঙ্গক উৎসেচক, যেমন - লাইপেজ।
৫। শর্করায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ২ ১, এই কার্বোহাইড্রেটের প্রত্যেক অণুতে সরল শর্করার এক বা একাধিক এককের উপস্থিতি অনুসারে কার্বোহাইড্রেটকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা— মনােস্যাকারাইড, ডাইস্যাকারাইড ও পলিস্যাকারাইড।
৬। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পরিপাকনালির ক্ষুদ্রান্তে ছােট ছােট আঙুলের ন্যায় অংশ বর্তমান। এগুলিকে ভিলাই বলা হয়। এরা শােষণের
একক এবং শােষণ কার্য সম্পন্ন করে।
৭।প্রাণীদের মুখবিবরে কেবল শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক হয়, পাকস্থলীতে প্রােটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য এবং ক্ষুদ্রান্তে শর্করা, প্রােটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য পরিপাক ঘটে।
৮। পাকস্থলীর অর্ধপাচিত খাদ্যবস্তুকে কাইম এবং ক্ষুদ্রান্তে পূৰ্ণপাচিত খাদ্যবস্তুকে কাইল বলা হয়।
৯। C, H, O, N, S ইত্যাদি হল ম্যাক্রো বা মেজর এলিমেন্ট। বােরণ, মলিবডিনাম ইত্যাদি হল মাইক্রো বা ট্রেস এলিমেন্ট।
১০। খাদ্যের দলা গ্রাসনালির পেরিস্টলসিস্ বা ক্রমসংকোচন পদ্ধতি দ্বারা পাকস্থলীতে এসে পৌঁছােয়।
১১। স্বভােজীদের পুষ্টি পদ্ধতিকে অটোফাইটিক পুষ্টি ও পরভােজীদের পুষ্টি পদ্ধতিকে হেটেরােফাইটিক পুষ্টি বলে।
১২। যে সকল রাসায়নিক বস্তু এনজাইম বা উৎসেচকের ক্রিয়া বিনষ্ট করে থাকে তাদের অ্যান্টি এনজাইম বলে।
১৩। NADP, ADP ইত্যাদি হল জল বিজারক উৎসেচক।
১৪।একজন প্রাপ্তবয়স্ক লােকের B.M.R. হল প্রতি ঘন্টায় প্ৰতি বর্গমিটার দেহের বহির্ভাগের জন্য 40 K.Cal.
১৫।একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ লােকের মৌল বিপাকের জন্য দিনে প্ৰায় 1780 K.Cal. শক্তির প্রয়ােজন।।
১৬।খাদ্যের উৎস অনুযায়ী পরভােজী উদ্ভিদদের পাঁচ ভাগে ভাগ করা। হয়— মৃতজীবী, পরজীবী, স্বভােজী, মিথােজীবী, পতঙ্গভুক।
১৭। ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মিউকর ইত্যাদি পূৰ্ণমৃতজীবী।
১৮।স্বৰ্ণলতা, র্যাফ্লেসিয়া, ফাইটথােরা ইত্যাদি এরা পূর্ণ পরজীবী উদ্ভিদ।
১৯।লাইকেন এমন এক ধরনের জীব যার দেহটি শৈবাল ও ছত্রাক উভয়ের সমন্বয়ে তৈরি। এরা মিথােজীবিতার উদাহরণ।
২০।কলসপত্রী, পাতাঝাঝি, সূর্যশিশির ইত্যাদি উদ্ভিদেরা পতঙ্গ থেকে পষ্টিরস শােষণ করে জীবিত থাকে, তাই এরা পতঙ্গভুক উদ্ভিদ। ।
২১।আমাদের মুখবিবরে প্রধানত তিনধরনের লালাগ্রন্থি থাকে, যথা প্যারােটিড, সারম্যান্ডিবুলার ও সাবলিঙ্গুয়াল।
২২।প্রাণীদেহের অপরিহার্য অ্যামাইনাে অ্যাসিডের উদাহরণ হল ট্রিপটোফ্যান, থিওনিন, লাইসিন ইত্যাদি।
২৩। প্রাণীজ প্রােটিনকে প্রথম শ্রেণির প্রােটিন বলা হয়।
২৪। মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক পরিমাণ 100 c.c. রক্তে 80-120 mg, ইনসুলিন কম ক্ষরণে রক্তে গ্লুকোজ বাড়ে।
২৫। ভিটামিন নিয়াসিন পেলেগ্রা রােগ প্রতিরােধ করে, তাই নিয়াসিনকে পেলেগ্রা প্রিভেন্টিভ ফ্যাক্টর বা P.P. ফ্যাক্টর বলে।
২৬। যে প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনে পরিণত হয়ে যকৃতে বা পেশিতে সঞ্চিত হয় তাকে বলা হয় গ্লাইকোজেনেসিস।
২৭। দুধে ভিটামিন-সি এবং আয়রন থাকে না, তাই দুধ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সুষম খাদ্য নয়।
২৮। ভিটামিন A-র রাসায়নিক নাম রেটিনল বা অ্যাজেরােপথল এটির অভাবে রাতকানা, টোডস্কিন, কেরাটোম্যালেসিয়া ইত্যাদি রােগ
হয়।
২৯। ভিটামিন-D, যার রাসায়নিক নাম ক্যালসিফেরল, এর অভাবে বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া ও ছােটদের রিকেট রােগ হয়।
৩০। ভিটামিন-E, যার রাসায়নিক নাম টোকোফেরল, যার অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩১। ভিটামিন-K, যার রাসায়নিক নাম ফাইলােকুইনন এর অভাবে রক্তক্ষরণ বা হেমারেজ হয়।
৩২। ভিটামিন-C, যার রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, এর অভাবে স্কার্ভিরােগ দেখা যায়।
৩৩। রক্তে ফ্যাট ভিটামিন A, D, E, K কে বহন করে থাকে।
৩৪। জলে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলি হল B, C ও P৷
বি:দ্র : 'GK Solve' এর এই প্রয়াস ভালো লাগলে সবাই কে অনুরোধ করবো, আমাদের এই সাইট কে বাংলার প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রীর কাছে শেয়ার করে পৌঁছে দিতে। তারা যেন খুব সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে পড়াশুনা, সাহয্য পেতে পারে।
হ্যালো রিডার,
যেকোনো চাকরীর পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাধরন বিজ্ঞান একটি গুরুত্ব পূর্ন বিষয়। বিজ্ঞানের বিষয় থেকে বেশী সংখ্যক প্রশ্ন আসে রেলের গ্রুপ ডি ও মিসলেনিয়াস পরীক্ষায়। সুতারং প্রত্যেক ছাত্র -ছাত্রীর উচিত রোজ একটু একটু করে প্রাকটিস করা।
আজকের পোস্টে সাধরন বিজ্ঞান বিষয়ের পুষ্টি ও পরিপাক চ্যাপটারের উপর গুরুত্বপূর্ন বেশকিছু শর্ট নোট দেওয়া হল। সমস্ত পড়ুয়াদের অনুরোধ করবো মন দিয়ে পড়ার জন্য।
কোনো পোস্ট মিস না করতে, আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে অবশ্যই যুক্ত হবেন :https://t.me/gksolve
পুষ্টি ও পরিপাক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন কিছু শর্ট নোট বা, টীকা:
১। যে সকল পদার্থ থেকে ভিটামিন প্রস্তুত হয় তাদের বলা হয় প্রােভিটামিন।
২। কিছু প্রাণী যেমন - অ্যামিবা, প্যারামিসিয়াম ইত্যাদির মধ্যে আন্তঃকোশীয় পরিপাক লক্ষ্য করা যায়। আবার মানুষ, ব্যাঙ, কেঁচো, আরশােলা এদের মধ্যে বহিঃকোশীয় পরিপাক লক্ষ্যণীয়। কিন্তু হাইড্রার মধ্যে অন্তঃ ও বহিঃকোশীয় পরিপাক ঘটে থাকে।
৩। যে পদ্ধতির মাধ্যমে যকৃতে অ্যামােনিয়া থেকে ইউরিয়া উৎপন্ন হয়, তাকে অরনিথিন চক্র বলা হয়।
৪। পাচক উৎসেচক তিন প্রকারের অ্যামাইলােলাইটিক বা শর্করা ভঙ্গক,
যেমন মলটেজ; প্রােটিওলাইটিক বা প্রােটিনভঙ্গক, যেমন - ট্রিপসিন, পেপসিন এবং লাইপােলাইটিক বা স্নেহভঙ্গক উৎসেচক, যেমন - লাইপেজ।
৫। শর্করায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ২ ১, এই কার্বোহাইড্রেটের প্রত্যেক অণুতে সরল শর্করার এক বা একাধিক এককের উপস্থিতি অনুসারে কার্বোহাইড্রেটকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা— মনােস্যাকারাইড, ডাইস্যাকারাইড ও পলিস্যাকারাইড।
৬। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পরিপাকনালির ক্ষুদ্রান্তে ছােট ছােট আঙুলের ন্যায় অংশ বর্তমান। এগুলিকে ভিলাই বলা হয়। এরা শােষণের
একক এবং শােষণ কার্য সম্পন্ন করে।
৭।প্রাণীদের মুখবিবরে কেবল শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক হয়, পাকস্থলীতে প্রােটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য এবং ক্ষুদ্রান্তে শর্করা, প্রােটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য পরিপাক ঘটে।
৮। পাকস্থলীর অর্ধপাচিত খাদ্যবস্তুকে কাইম এবং ক্ষুদ্রান্তে পূৰ্ণপাচিত খাদ্যবস্তুকে কাইল বলা হয়।
৯। C, H, O, N, S ইত্যাদি হল ম্যাক্রো বা মেজর এলিমেন্ট। বােরণ, মলিবডিনাম ইত্যাদি হল মাইক্রো বা ট্রেস এলিমেন্ট।
১০। খাদ্যের দলা গ্রাসনালির পেরিস্টলসিস্ বা ক্রমসংকোচন পদ্ধতি দ্বারা পাকস্থলীতে এসে পৌঁছােয়।
১১। স্বভােজীদের পুষ্টি পদ্ধতিকে অটোফাইটিক পুষ্টি ও পরভােজীদের পুষ্টি পদ্ধতিকে হেটেরােফাইটিক পুষ্টি বলে।
১২। যে সকল রাসায়নিক বস্তু এনজাইম বা উৎসেচকের ক্রিয়া বিনষ্ট করে থাকে তাদের অ্যান্টি এনজাইম বলে।
১৩। NADP, ADP ইত্যাদি হল জল বিজারক উৎসেচক।
১৪।একজন প্রাপ্তবয়স্ক লােকের B.M.R. হল প্রতি ঘন্টায় প্ৰতি বর্গমিটার দেহের বহির্ভাগের জন্য 40 K.Cal.
১৫।একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ লােকের মৌল বিপাকের জন্য দিনে প্ৰায় 1780 K.Cal. শক্তির প্রয়ােজন।।
১৬।খাদ্যের উৎস অনুযায়ী পরভােজী উদ্ভিদদের পাঁচ ভাগে ভাগ করা। হয়— মৃতজীবী, পরজীবী, স্বভােজী, মিথােজীবী, পতঙ্গভুক।
১৭। ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মিউকর ইত্যাদি পূৰ্ণমৃতজীবী।
১৮।স্বৰ্ণলতা, র্যাফ্লেসিয়া, ফাইটথােরা ইত্যাদি এরা পূর্ণ পরজীবী উদ্ভিদ।
১৯।লাইকেন এমন এক ধরনের জীব যার দেহটি শৈবাল ও ছত্রাক উভয়ের সমন্বয়ে তৈরি। এরা মিথােজীবিতার উদাহরণ।
২০।কলসপত্রী, পাতাঝাঝি, সূর্যশিশির ইত্যাদি উদ্ভিদেরা পতঙ্গ থেকে পষ্টিরস শােষণ করে জীবিত থাকে, তাই এরা পতঙ্গভুক উদ্ভিদ। ।
২১।আমাদের মুখবিবরে প্রধানত তিনধরনের লালাগ্রন্থি থাকে, যথা প্যারােটিড, সারম্যান্ডিবুলার ও সাবলিঙ্গুয়াল।
২২।প্রাণীদেহের অপরিহার্য অ্যামাইনাে অ্যাসিডের উদাহরণ হল ট্রিপটোফ্যান, থিওনিন, লাইসিন ইত্যাদি।
২৩। প্রাণীজ প্রােটিনকে প্রথম শ্রেণির প্রােটিন বলা হয়।
২৪। মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক পরিমাণ 100 c.c. রক্তে 80-120 mg, ইনসুলিন কম ক্ষরণে রক্তে গ্লুকোজ বাড়ে।
২৫। ভিটামিন নিয়াসিন পেলেগ্রা রােগ প্রতিরােধ করে, তাই নিয়াসিনকে পেলেগ্রা প্রিভেন্টিভ ফ্যাক্টর বা P.P. ফ্যাক্টর বলে।
২৬। যে প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনে পরিণত হয়ে যকৃতে বা পেশিতে সঞ্চিত হয় তাকে বলা হয় গ্লাইকোজেনেসিস।
২৭। দুধে ভিটামিন-সি এবং আয়রন থাকে না, তাই দুধ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সুষম খাদ্য নয়।
২৮। ভিটামিন A-র রাসায়নিক নাম রেটিনল বা অ্যাজেরােপথল এটির অভাবে রাতকানা, টোডস্কিন, কেরাটোম্যালেসিয়া ইত্যাদি রােগ
হয়।
২৯। ভিটামিন-D, যার রাসায়নিক নাম ক্যালসিফেরল, এর অভাবে বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া ও ছােটদের রিকেট রােগ হয়।
৩০। ভিটামিন-E, যার রাসায়নিক নাম টোকোফেরল, যার অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩১। ভিটামিন-K, যার রাসায়নিক নাম ফাইলােকুইনন এর অভাবে রক্তক্ষরণ বা হেমারেজ হয়।
৩২। ভিটামিন-C, যার রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, এর অভাবে স্কার্ভিরােগ দেখা যায়।
৩৩। রক্তে ফ্যাট ভিটামিন A, D, E, K কে বহন করে থাকে।
৩৪। জলে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলি হল B, C ও P৷
বি:দ্র : 'GK Solve' এর এই প্রয়াস ভালো লাগলে সবাই কে অনুরোধ করবো, আমাদের এই সাইট কে বাংলার প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রীর কাছে শেয়ার করে পৌঁছে দিতে। তারা যেন খুব সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে পড়াশুনা, সাহয্য পেতে পারে।
